
নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ ই আগস্টের পর সারা দেশের প্রত্যেকটি থানায় পুলিশ প্রশাসনের রদবদল হয়েছে তবে এখনো কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন যারা মাদক পাচারকারীদেরকে মাশোয়ারা হিসেবে টাকার বিনিময়ে সহযোগিতা করেন , এমনই এক ঘটনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার তথ্য সংগ্রহ করায় হামলার শিকার হন দৈনিক সূর্যোদয় পত্রিকার প্রতিনিধি সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম ,
সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম জানান গত ০১/০১/২৫ ইং আমার সহকর্মী কে রিসিভ করে আনার উদ্দেশ্য বের হলে আমার উপর কে বা কাহারা গণহারে হামলা চালায়, ঘটনাক্রমে জানা যায় মাদক বিরোধী সংবাদ প্রকাশের কারণে তাকে হেস্তনেস্ত করা হয় এবং থানা পুলিশ ম্যানেজ করেই হামলা করানো হয়েছে , কসবা থানার ওসির সাথে অনেক চেষ্টা করেও কথা বলা যায়নি, পুলিশ সদস্যরা সর্বশেষে ১ হাজার পিস ইয়াবা দিয়ে খামের ভিতরে করে নিয়ে গিয়ে চালান দেওয়া হয় দ্বীন ইসলামকে মামলাতে দেখানো হয়েছে বাম পকেটের ভিতর থেকে সাদা রংয়ের কস টিপে মোড়ানো পাঁচটি প্যাকেটে
এক হাজার পিস ইয়াবা রয়েছে তাহলে খামের ভিতর ঢুকানো ভিতরে থাকা ইয়াবা গুলো কোথায় থেকে এসেছে কে দিয়েছে তার সকল তথ্য প্রমান তুলে ধরা হবে ,
আমরা ইতিমধ্যে আরো জানতে পেরেছি সাংবাদিক দ্বীন ইসলামের ফেসবুক লাইভে সাক্ষাৎকার দিয়ে তার মূল ঘটনা বিস্তারিত গুলা বলাতে তাকে আবার হয়রানি করার জন্য কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে তাকে গুম এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে আবার হয়রানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে ,
এমন ঘৃনীত ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যারা আছেন আশা করি তারা নজর দিয়ে একজন নিরীহ মানুষ এবং গণমাধ্যম কর্মীকে হয়রানি করার হাত থেকে রক্ষা করবেন ,
সাংবাদিক দ্বীন ইসলামের কিছু কথা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে আমি জেল থেকে জামিনে মুক্ত পাওয়ার যোগ্য , ৩৪ দিন কারাবরণ করার পর জামিনে মুক্তি হয়ে আসার পর আমার বিরুদ্ধে নানা ভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করে আসছেন কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল কাদের এবং ভুঁইফোড় চ্যানেলের কিছু কতিপয় সাংবাদিক ও ষড়যন্ত্র মদদ দিচ্ছেন বলে ও তথ্য প্রমান আসছে আমাদের হাতে এ বিষয়ে বাংলাদেশের উচ্চ আদালতে রিট করা হবে
চেয়ারম্যান: মিঠু মিয়া, ব্যবস্থাপনাপরিচালক: দ্বীন ইসলাম , বার্তা সম্পাদক: ফয়সাল সিকদার
তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি