
এসএম ফরিদ রানা, খুলনা ব্যুরো :এ কোন বর্বরতা। নদীতে না এবার খুলনায় গাছের ডালে ঝুলছে যুবতীর মরাদেহ। সম্প্রতি সময়ে খুলনার নদীতে, ঘরে, বাসয়, বাগানে থেকে মরাদেহ উদ্ধারের খবর প্রায় শুনা গেলেও গাছের ডালে ঝুলন্ত লাশের ঘটনা এই প্রথম।
ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর বানিয়াখামার কাস্টম গলি এলাকায়। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর পূর্ব বানিয়াখামারের কাস্টম গলি থেকে গাছের ডালে ঝুলে থাকা ৪০ বছর বয়সী এক যুবতীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ । পুলিশ জানিয়েছে উক্ত লাশ খুলনা মহানগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আনছার উদ্দিন শেখের কন্যা ও সোহেলের স্ত্রী। তার একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কাস্টম গলির একটি গাছের ডালে একজন নারীর লাশ ঝুলান্ত অবস্থায় দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে লাশ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মৃতের মা পারুল বেগম বলেন, মরিয়মের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সে বুধবার বিকালে বাড়ি থেকে নিরালা মোড়ে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। কিন্তু সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও মরিয়ম আর ফিরে আসেনি। রাতে বিভিন্নস্থানে খোঁজ করেও সন্ধান পায়নি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তার মরার সংবাদ জানতে পারলাম।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ময়নাতদন্ত শেষে বোঝা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।
এদিকে গাছের ডালে যুবতীর ঝুলন্ত লাশ সাধারণ মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। নাগরিকনেতা দেলোয়ার হোসেন বলেন, একের পর সন্ত্রাসীদের গুলীতে হত্যাকান্ড শান্ত খুলনাকে অশান্ত করে চলছে, এর মধ্যে গাছের ডালে যুবতীর লাশ। এযেন বিস্ময়কর এক পরিস্থিতি অতিবাহিত করছি। নগরীর খেয়া সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিল্টন বলেন, সম্প্রতি সময়ে একের পর এক নদী, বাগান ও বাসা থেকে লাশ উদ্ধার হলেও গাছের ডালে যুবতীর মরাদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া খুবই বেদনাদায়ক। আমরা এটা বন্ধ চাই। শান্তিতে শহরে বসবাস করতে চাই।
চেয়ারম্যান: মিঠু মিয়া, ব্যবস্থাপনাপরিচালক: দ্বীন ইসলাম , বার্তা সম্পাদক: ফয়সাল সিকদার
তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি