শ্রেষ্ঠ অফিসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা নেতৃত্বে সীমান্তঘেঁষা কসবা উপজেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন
কসবায় মাদক কারবারিদের যম এসআই ফারুক; এক বছরে রেকর্ড সাফল্য
নিউজ তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি নিজস্ব প্রতিবেদক দ্বীন ইসলাম
থাকে, তবে এই বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলা অসম্ভব। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এসআই ফারুক হোসেন কসবা থানার জন্য এক ‘আশীর্বাদ’। তার কঠোর অবস্থান মাদক পাচারকারীদের জন্য যেমন ত্রাস, তেমনি সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির বার্তা।
উর্দি ও মানবিকতার মেলবন্ধন
কেবল মাঠপর্যায়ের কঠোর পুলিশিং নয়, এসআই ফারুকের মানবিক সত্তাও স্থানীয়দের মুগ্ধ করেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি কসবা উপজেলার অন্তত ২-৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনার খরচ ব্যক্তিগতভাবে নিজ সাধ্যমতো বহন করছেন। একজন পুলিশ অফিসারের এই সমাজ সংস্কারক রূপটি সাধারণ মানুষের সাথে পুলিশের দূরত্ব কমিয়ে আনছে।
কসবার সচেতন সমাজের বক্তব্য
স্থানীয় সামাজিক সংগঠন সিটিএল এর সাধারন সম্পাদক ও সম্ভাব্য পৌর মেয়র পদপ্রার্থী জনাব মোঃ সজীব বলেন,
“সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায়, আমাদের কসবায় মাদকের বিস্তার ও সহজলভ্যতা বহুলাংশেই বেশি, আমরা যুবকদের মাঝে বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানও সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি আর এইদিকে এস.আই ফারুক এর মতো চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন। সর্বোপারি দুইটি ভিন্ন জায়গা হলেও আমাদের সকলের মোটিভ প্রায় একই। নানান চাপ,চক্রান্ত, ষড়যন্ত্রের ঊর্ধ্বে গিয়ে এস আই ফারুক হোসেনের এই সাহসিকতা ও পরিশ্রম আমাদের এই আসনের সংসদ সদস্য জনাব মুশফিকুর রহমানের মাদক বিরোধী যুদ্ধ ও জিরো টলারেন্স নীতি কে আরো অগ্রসর করবে বলে আমার বিশ্বাস”
এসআই ফারুকের বক্তব্য
নিজের কর্মতৎপরতা সম্পর্কে এসআই ফারুক হোসেন থেকে তার বিভিন্ন দুঃসাহসিক অভিযানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ও অনুভূতি নিয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাদেরকে বলেন:
“মাদক বিরোধী অভিযানের ক্ষেত্রে, মাদক আটক থেকে মামলা রুজু হওয়া পর্যন্ত সবটাই বিরাট চ্যালেঞ্জ, মাদক-কারবারিরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল পাল্টাচ্ছে। জীবনঝুকি বাদেও কখনো কখনো অদৃশ্য শক্তির চাপ মোকাবিলা করতে হয়।আমার অনুভূতি আমি কখনোই বলে বুঝাতে পারবো বলে মনে হয় না কেননা একটি যুবসমাজকে ধ্বংস করার জন্য মাদকের মতো সামাজিক বিষ্ফোরাই যথেষ্ট। আমি বিশ্বাস করি, আমার প্রচেষ্টায় যদি অন্তত একটি যুবকও মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা পায়, তবেই আমার কর্মজীবন সার্থক। মাদকমুক্ত দেশ গড়াই আমার মূল লক্ষ্য।“
সবশেষে
তদন্তমূলক সাংবাদিকতার দর্পণে এটি স্পষ্ট যে, এসআই ফারুক হোসেন কেবল একজন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নন, বরং তিনি কসবা তথা সারা বাংলাদেশের যুবসমাজকে রক্ষার এক অতন্দ্র প্রহরী। তার এই আপসহীন সংগ্রাম যদি প্রতিটি থানায় ছড়িয়ে পড়ে, তবে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়া কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
মন্তব্য করুন