ড্রেক – নিউজ বর্তমান এই এলাকার অন্যতম প্রধান ও আলোচিত সমস্যা মাদক বাণিজ্য|
ঘনবসতি ও রেলওয়ের বিশাল এলাকা হওয়ায় মাদক বিক্রি ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে| এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বিস্তার ও সেবনের স্থান দখল বা পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনা ঘটে থাকে|ঠিক তেমনি একজন নিরীহ ব্যক্তি কে মাদক দিয়ে প্রশাসনার হাতে তুলে দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগের কর্মী -শাহ আলম, শিমুল, ও পারভেজ বর্তমান সরকার পতনের পরে তারা দল পাল্টিয়ে বিএনপি কর্মী হিসাবে পরিচয় দেন|
বর্তমান নিজেদের পিঠ বাঁচাতে অন্যদের বানিয়ে দিচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী| অথচ ব্যবসায়ী ও মাদক মামলার আসামি আলমগীরের ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগের কর্মী শাহ আলম শিমুল ও পারভেজ|বর্তমান তাদের আদিপত্য চলে পাহাড়তলী এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে বানিয়ে দেয়া হয় মাদক ব্যবসায়ী|ঠিক এমন একটি ঘটনা ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি অনলাইন পোর্টালে দেখা যায় মুন্নান নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করে মাধক দিয়ে পাসানোর চেষ্টা করা হয়|
সে নিজেই ¯^ীকারোক্তি দেন আমি মাদক ব্যবসায়ী নয় আমি মাদক বিক্রি করি না আমাকে জোর করে মাদক ব্যবসায়ী বানানো হচ্ছে|অথচ এ নিরীহ ব্যক্তিদেরকে সমাজের কাছে পরিবারের কাছে ছোট করার জন্য কিছু অসাধু সংবাদ কর্মীদের টাকার বিনিময়ে এনে সংবাদ প্রচার করেন| সম্প্রতি একটি অনলাইন পোটালে দেখা যয় জোরপূর্বক ¯^ীকারোক্তি দিতে অথচ শাহ আলম,শিমুল পারভেজ এক সময় তারা ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল হুদার কর্মী ছিলেন তাদের আধিপত্য চলতো পুরো এলাকা|
কিছু স্থানীয়রা বলেন সে আদিত্যকে ধরে রাখতে মাদক ব্যবসায়ী আলমগীরের সাথে হাত মিলিয়ে মাদক ব্যবসা শুরু করেন পাহাড়তলী এলাকায়|যুব সমাজটাকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে এ আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগ কর্মী শাহ আলম, পারভেজ, শিমুল|সমাজের কিছু বিএনপির নামধারী কর্মী ও কিছু অসাধু পুলিশ প্রশাসন কে ম্যানেজ করে ছড়িয়ে দিচ্ছে গোটা এলাকায় মাদক|
আর বানিয়ে দিচ্ছে নিরীহ কিছু মানুষদেরকে মাদক ব্যবসায়ী|মাদক নিয়ে মারামারি, সংঘর্ষ এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সামাজিক নিরাপত্তা ও জন¯^াস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি|তাই অ স্থানীয়দের জোর দাবি এ ধরনের কুলাঙ্গার আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগের কর্মী দের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত শাস্তি দাবি করেন|
মন্তব্য করুন