মুখ ভর্তি দাড়িকে পুজি করে জামায়াতের নাম ভাঙ্গিয়ে ইনসাফের পরিবর্তে কসবা থানায় যোগদানের পর থেকেই জুড়ে সেই আওয়ামী পুলিশদের মতনই
চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসলো ওসি আব্দুল কাদেরকে দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে এক হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে চালান করেন সাংবাদিক দ্বীন ইসলামকে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে অমুক খুললেন সারোয়ার আলম নামে তিনি আদ্রা গ্রামের শহীদ ভূইয়ার ছেলে।
সারোয়ার আলম চিহ্নিত একজন ও মাদক সম্রাট হয়েও শুধু একবার তাকে এরেস্ট হতে হয়েছি ইলিশ মাছ পাচারের সময় আর কখনো সারোয়ার আলমকে এরেস্ট হতে হয়নি কারণ আগে সে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সক্রিয় একজন কর্মী ছিলেন
৫ আগস্ট এর পর সে বিএনপি রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় চালিয়ে যাচ্ছে মাদক বাণিজ্য ও কিছু অসাধু পুলিশের বড় বাবুদের কে ম্যানেজ করেই
ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বিশৃঙ্খল বানিয়ে মাদারীপুর যাচ্ছেন জামায়াতপন্থী আওয়ামী এসপি এহতেশামুল হক
ছিলেন ভারতীয় দালাল পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারের ঘনিষ্ঠ এসপি সরকার পতনের পর সাজেন জামায়াত পন্থী।
ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় পুলিশ সদর দপ্তরের একের পর এক নীতি ভঙ্গ করেছেন, পুলিশে বাড়িয়েছেন বিশৃঙ্খলা, ক্লীনচিট পেয়েছেন বনজের ক্যাশিয়ার খ্যাত ডিআইজি পলাশের কাছ থেকে।
ভেঙে পড়েছে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নবীনগরে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় বাঁচিয়ে দিয়েছেন ওসিকে,বিজয়নগরে আটক সাংবাদিকের ওপর হামলা করতে ভাড়া করেন মাদক সন্ত্রাসী হিজড়া রাকিবুলকে।
বিস্তারিত দেখুন ব্রাহ্মনবাড়িয়া থেকে রাফিউল ইসলাম ও শরীফ বিন ওসমানের পাঠানো ৩ পর্বের ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ১ম পর্বে-
আওয়ামী লীগ শাসনামলে সরাসরি ভারতীয় এজেন্ট ও বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা বনজ কুমার মজুমদার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে গড়ে তুলেছিলেন নিজস্ব বলয়। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট, গণঅভ্যুত্থানে
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দেশে স্বর্ণ চোরাকারবার ও হুন্ডি কারবারের অন্যতম গডফাদার পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে ভারতে পালালেও গণঅভ্যত্থান পরবর্তী নতুন পুলিশ বাহিনীতে চট্রগ্রামের রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশের নেতৃত্বে ফের দাপুটে অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন বনজ কুমার মজুমদারের সরাসরি দালাল খ্যাত পিবিআই সিন্ডিকেটের কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা।
এর মধ্যে আওয়ামী লীগ শাসনামলে বহাল তবিয়তে পিবিআইতে কর্মরত থাকা এহতেশামুল হক বর্তমানে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার পদে কর্মরত আছেন,নিজেকে জামায়াত পন্থী ভাব দেখানো এই কর্মকর্তা পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিও পেয়েছিলেন আওয়ামী লীগ শাসনামলে। এই বিতর্কিত কর্মকর্তা ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা পুলিশকে চরমভাবে কলুষিত করার পর সদ্য মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে বদলী হয়েছেন।
আওয়ামী লীগ শাসনামলে ভারতীয় এজেন্ট বনজ কুমার মজুমদারের ঘনিষ্ঠ এহতেশামুল হক ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে জামায়াত পন্থী ভাবধারার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ফুটিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করেন, জানা গেছে আওয়ামী লীগ ঘেষা এক জামায়াত নেতাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে লবিং করিয়েছেন তিনি। ওদিকে বাস্তবতা বলছে
আওয়ামী লীগ শাসনামলে কোন কর্মকর্তার মধ্যে জামায়াত বা বিএনপি ঘনিষ্ঠতার ন্যুনতম তথ্য পাওয়া মাত্র সেই কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে দেয়া হতো। পুলিশের বর্তমান আইজিপি সহ অসংখ্য মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন কিন্ত ঠিকই বহাল তবিয়তে ছিলেন নব্য জামায়াত সাজা এহতেশামুল হকের মতন পুলিশ কর্মকর্তারা। যদিও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের একাধিক সূত্র
তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি কে নিশ্চিত করেছেন -জামায়াত একটি দ্বীনি রাজনৈতিক সংগঠন, কোন কর্মকর্তা নিজেকে জামায়াত দাবি করলেই সে জামায়াত হয়ে যায় না, তবে বহু ফ্যসিস্টের দালাল পুলিশ বা প্রশাসনের কর্মকর্তা নিজেদের জামায়াত দাবি করে বাড়তি ফায়দা লোটার চেষ্টা করছেন
বাস্তবে এমনটির কোন সুযোগ নেই বলেও নিশ্চিত করেছে সংগঠনটি। কিন্ত দীর্ঘদিন বনজ কুমার মজুমদারের সরাসরি দালালি করা পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক নিজেকে অতি জামায়াত প্রমাণ করতে নানান অপতৎপরতা চালাচ্ছেন এমন অভিযোগ রয়েছে
মন্তব্য করুন