কসবা উপজেলা থেকে মাদক পরিবহনের একটি সন্দেহভাজন গাড়ি বায়েক ইউনিয়ন হয়ে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশিদল এলাকায় প্রবেশ করলে তা বিজিবির টহল দলের নজরে আসে।
পরে ব্রাহ্মণপাড়ার চাংলা টানা ব্রিজের সামনে বিজিবির ক্যাম কমান্ডারের নেতৃত্বে গাড়িটি আটক করা হয়।
গাড়ি আটক করার পরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কসবা উপজেলার আদ্রা গ্রামের শহীদ ভুঁইয়ার ছেলে সারোয়ার আলমের অনুসারী হিসেবে পরিচিত একটি বৃহৎ দল ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ জনের উপস্থিতিতে তারা বিজিবির টহল দলের সদস্যদের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে এবং ধাওয়া–খাওয়া পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। টহল দলের সদস্যদের সঙ্গে হাতাহাতি ও বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
সংবাদটি প্রকাশের পর ঘটনাটি নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়। কয়েকটি সূত্রের অভিযোগ—সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাদের সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে হয়রানির চেষ্টা করছেন এবং “ফাঁসানোর প্রেসক্রিপশন” দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে ওসির আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) টহল দলের ওপর হামলার চেষ্টা ও সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার ঘটনা—আইন অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ। তাছাড়া, আটক করা গাড়ি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা এই চক্রের সংগঠিত শক্তির উপস্থিতিকে ইঙ্গিত করে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত বিজিবি সদস্যদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব।
মন্তব্য করুন