প্রতিবেদক মিজানুর রহমান
মাধবপুর থানার এসআই নাজমুল হাসান এসআই আশিষ তারা সবাই মিলে কামরুল হাসানকে আটক করে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠে।
হবিগঞ্জ মাধবপুর ছাতিয়াইন ইউনিয়ন আলেকপুর গ্রামের, মৃত জাহের মিয়ার ছেলে কামরুল হাসানকে ১৭ ই জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে, হাইওয়ে ইন থেকে এসআই নাজমুল হাসান আটক করে, মাধবপুর থানায় নিয়ে আসে, কামরুল হাসানের ছোট ভাই মোশারফ হোসেন বলেন আমার ভাইকে একটি রুমে আটক করে, মামলা দেয়ার ভয় দেখিয়ে তার মোবাইল তেকে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে পরিচিত আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে। দেড় লক্ষ টাকা আনিয়ে এস আই নাজমুল তারা সবাই ভাগাভাগি করে নিয়ে নেয়, কামরুলের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার দিয়ে ছোট ভাই মোশারফকে ফোন দিয়ে বলে এক লক্ষ টাকা নিয়ে আসতে। তখন মোশারফদের পরিচিত গাড়ি ড্রাইভার জুয়েল এর কাছে ৪০ হাজার টাকা দেয়, জুয়েল মাধবপুর থানা এসে ছাতিয়াইন পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আশিষের কাছে ৪০ হাজার টাকা দেয়। বাকি টাকা জোগাড় করে মোশারফ রাত্র দশটার পরে নিয়ে আসে, তখন এসআই নাজমুল এর কাছে ৫০ হাজার টাকা দিলে, এসআই নাজমুল আরও ৩০ হাজার টাকা দাবি করে, ৩০ হাজার টাকা দিলে কামরুলকে সকাল সকাল হবিগঞ্জ কোর্টে চালান দেওয়া হবে, আর নতোবা বিকালে চালান দিবে, মোশারফ সকালবেলা হবিগঞ্জ কোর্টে চলে গেলে দুপুর ১২ টায় এসআই নাজমুল ফোন দিয়ে। তাকে বলে আমার কথা না রাখলে আমিও তোমাদের কথা রাখতে পারব না। তখন মোশারফ বলে টাকা জোগাড় করতে পারি নাই বিকালে আইসা আপনাকে টাকা দেব। আমার ভাইকে কোর্টে পাঠান,বাকি ৩০ হাজার টাকা না দেওয়ার কারণে কামরুল হাসানকে বেলা একটায় হবিগঞ্জ কোর্টে পাঠানো হয়। ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে এসআই নাজমুল হাসান কে জিজ্ঞেস করলে অস্বীকার করে। প্রমাণ তাকার কথা বললে সে বলে প্রমাণ থাকলে নিউজ করে দেন।
মন্তব্য করুন