ভুলে গিয়েছে হয়তো, একটু মনে করিয়ে দেই । লীগের সাথে মাখামাখি এবার আসলে একেবারে শিকড়সহ উপড়ে ফেলবে বিএনপির লক্ষ লক্ষ বিএনপির কর্মীরা জেল জুলুম গুম খুনের শিকার হয়েছিল, কি কারনে?
ভারতের কুটনীতি বা কুটচাল ও শয়তানী, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্ব, লোভ ও জিঘাংসাগুলো তারেক রহমানের চেয়ে ভারতীয় দালালের বেটি স্বৈরাচার হাসিনা অনেক বেশী জানতো!
🇮🇳ভারতের রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী এবং জনগণের একটি অংশ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগের বন্ধু। যেটা তারেক রহমানের নেই।
স্বৈরাচার হাসিনা’র জন্য 🇮🇳 প্রণব মুখার্জি, গান্ধী পরিবার বা জ্যোতি বসু’রা ছিল; তারেক রহমানের জন্য কেউই নেই।
দেশে আত্মীয় স্বজনরা স্বৈরাচার হাসিনা’র আষ্টেপিষ্ঠে লেগে থাকতো। কিছু নেতা ও কর্মীরা হাসিনা’র জন্য জীবন দিতে এক পায় দাড়িয়ে থাকতো!
ভারতীয় প্রোডাক্ট ডঃ কামাল হোসেন, ডাঃ জাফরউল্লাহ সহ অনেকেই ব্যক্তি হাসিনাকে আগলে রাখতো।
প্রথমতঃ তারেক রহমানের পাশে কোন বৈরাম খাঁ নেই! নেই কোন কামাল হোসেন বা জাফরউল্লাহরা।
জিয়া পরিবারের কেউই তারেক রহমানের পাশে নেই।(বেগম জিয়া তাদেরকে একেবারেই মুল্যায়ন করেননি; এমনকি তার সন্তানদেরকেও ওভাবেই বড় করেছেন। তবে, তারেক রহমানের পাশে রয়েছে নানা মজুমদার পরিবারের খাদকরা; যারা সুদিনের আত্মীয়; দুর্দিনে নিখোজ।
তারেক রহমান মজুমদারদের মতোই! কাজে লাগলে হরেহর আত্মা। কাজ শেষে তুমি কেডা? অকৃতজ্ঞের এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
সুতরাং, তারেক রহমানের পাশে গড়ে উঠেছে মীরজাফর ও শেঠ উমিচাঁদ’দের আস্তাবল ! তাই তারেক রহমানকে বলবো ইউরোপের প্রবাসীরা জীবন বাজি রেখে আপনার প্রতিটি প্রোগ্রাম, স্বৈরাচার হাসিনার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা এক্ষেত্রে হাসিনাকে উষ্টা মারতে গিয়ে অনেকের চাকরির ক্ষেত্রে থেকে উষ্টা মেরে বের করে দিয়েছে তারপরও তারা আপনার ডাকে সাড়া দিয়েছে দীর্ঘ ১৭ টা বছর অক্লান্ত কষ্ট করে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে পরিবার সংসার ফেলে রেখে হাসিনার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলছে অবশ্যই তাদের ভুলে যাবেন না, যারা অতীত ভুলে যায় তাদের জন্য বয়ে আনে চরম দুর্গতি যার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার কোন উপায় থাকে না , তাই অবশ্যই প্রবাসীদের মূল্যায়ন করুন , তারা আপনার কাছে 🇧🇩 দেশের বড় কোন টেন্ডার বাজি, বড় পদ, পদবী, অথবা কারো করুণা চায় না । তারা শুধু চায় একটু সম্মান বাস এতোটুকুই
মন্তব্য করুন