নিজস্ব প্রতিবেদক তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি
ও ভৈরবের লিবিয়ার কুখ্যাত মাফিয়া ও নুর আলম বিভিন্ন ভাষা বাড়ি থেকে মাফিয়া দের দিয়ে লোক ধরে এনে অমানব বিক নির্যাতন করে ২৫ লাখ টাকা করে দাবি করে পরে টাকা দিতে না পারলে অনেকের মে/রে ফেলে দেয় এর সাথে জড়িত ওর শশুর এবং বউ কিছু বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজন ওর হাতে এখনো পর্যন্ত একশোর উপরে লোক বন্দী আছে
প্রবাস লিবিয়ায় মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি ১০ যুবক স্বপ্ন ছিল ইতালি গিয়ে পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরানোর। সেই আশায় মানবপাচারকারীদের সঙ্গে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকায় চুক্তি করে বাড়ি ছেড়ে ছিলেন
কিন্তু স্বপ্নের ইতালি পৌঁছানো তো দূরের কথা, এখন লিবিয়ায় মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছেন তাদের বেশিরভাগই লিবিয়ার রাজধানী একটি মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি আছেন তাদের ওপর চালানো হচ্ছে নির্মম নির্যাতন
হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও কলে সেই নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে প্রত্যেকের পরিবারের কাছ থেকে ২৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে স্বজনদের অভিযোগ, জিম্মিকারীরা বাংলা ভাষাভাষী লোকদের দিয়ে ফোনে কথা বলাচ্ছে এবং
ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বলছে জিম্মি থাকা একাধিক যুবকের স্বজনরা জানান, স্বজনদের অভিযোগ ইতালি পাঠানোর জন্য ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকায় মৌখিক চুক্তি হয়েছিল। পরে সব টাকা পরিশোধ করা হলেও কেউই ইতালি পৌঁছাতে পারেননি
স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইতালির উদ্দেশ্যে বাড়ি ছাড়েন ওই যুবকেরা। প্রথমে তাদের আবুধাবি নেওয়া হয়। সেখান থেকে কুয়েত, পরে কুয়েত থেকে
মিশর হয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।
লিবিয়া থেকে ‘গেইম’ পদ্ধতিতে অর্থাৎ ইঞ্জিনচালিত ছোট নৌকায় সাগরপথে ইতালি পাঠানোর আগে একটি চক্র তাদের জিম্মি করে ফেলে।
এরপর থেকেই জিম্মিকারীরা তাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। প্রতিদিন বিভিন্ন পরিবারের মোবাইলে ভিডিও কলে নির্যাতনের দৃশ্য দেখানো হচ্ছে এবং ২৬
লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে। অনেকেই ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠিয়েছে ও টাকা পাঠাতে বলা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন স্বজনরা।অনেক দরকষাকষি ও কাকুতি-মিনতির পর জিম্মিকারীরা জানিয়েছে, জনপ্রতি ২০ লাখ টাকা দিলে আগামীকাল রাতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে ।
স্বজনদের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ও ভৈরবের নূরী নামের এক মাফিয়া ও কয়েক বছর যাবতি চালিয়ে আসছে ও এক যুবকের পরিবার বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে কিছু টাকা পাঠানোর পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারে যে ব্যাংক হিসাব নম্বর দেওয়া হয়েছিল মাফিয়া নূরী ও চক্রের সদস্য
তবে আপাতত যুবকদের মুক্ত করার পর পুরো বিষয়টি বিস্তারিত অনুসন্ধান করার কথা জানিয়েছেন তারা।
মন্তব্য করুন