উপজেলা সরকারি হাসপাতালে টিকিটের নির্ধারিত মূল্য ৫ টাকা হলেও রোগীদের কাছ থেকে ১০ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বহির্বিভাগের প্রতিটি রোগীর টিকিটের মূল্য ৫ টাকা নির্ধারিত। কিন্তু বাস্তবে কাউন্টারে ১০ টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী।
এতে করে প্রতিটি রোগীর কাছ থেকে অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে ৫ টাকা। যদি প্রতিদিন গড়ে ১,৫০০ জন রোগী সেবা নিতে আসেন, তাহলে অতিরিক্ত আদায় হচ্ছে
১,৫০০ × ৫ = ৭,৫০০ টাকা প্রতিদিন।
অর্থাৎ প্রতিদিন ৭,৫০০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হলে, মাসে (৩০ দিন হিসেবে) আদায় হচ্ছে
৭,৫০০ × ৩০ = ২,২৫,০০০ টাকা।
এ হিসেবে প্রতি মাসে প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যা বছরে দাঁড়ায়
২,২৫,০০০ × ১২ = ২৭,০০,০০০ টাকা (প্রায় ২৭ লাখ টাকা)।
সচেতন মহল বলছে, এটি শুধু সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণাই নয়, বরং সরকারি নিয়মেরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অধিকাংশ রোগী নিম্ন আয়ের মানুষ হওয়ায় তারা প্রতিবাদ করতে সাহস পান না।
এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে—এই অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি দেখার কি কেউ নেই? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবেই কি এ অনিয়ম চলছে?
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি টিকিটের নির্ধারিত মূল্য স্পষ্টভাবে বোর্ডে টানিয়ে রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।
মন্তব্য করুন