ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে সরকারি মাটি কাটার অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে ড্রেজার মেশিনের যন্ত্রাংশ ও পাইপলাইন বিনষ্ট করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবা ও নবীনগর উপজেলার মধ্যবর্তী সীমানায় অবস্থিত বুড়িগঙ্গা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে সরকারি মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছিল। এতে করে এলাকার পরিবেশ ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
১২ মার্চ দুপুরে বিষয়টি জানতে পেরে কসবা উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কসবা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)। ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া না গেলেও ড্রেজার মেশিন ও ড্রেজারের পাইপলাইন ভেঙে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ও আব্দুল আউয়াল এর নেতৃত্বে আলম চেয়ারম্যানের ভাই মুসা ও প্রভাবশালী কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় এসব অবৈধ কার্যক্রম চলছিল। শিমরাইল গ্রামের ফিরোজ মেম্বারের একটি জায়গায় প্রায় ৬১ লাখ টাকার ভরাট কাজ চলছিল বলেও জানা গেছে। এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তবে কসবা-আখাউড়া আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান এমপি হওয়ার পর তিনি বলেছেন, অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তবে তার এমন ঘোষণার পরও তৃণমূল পর্যায়ের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইউনিয়নে পাহাড় কাটা ও ফসলি জমি কাটার অভিযোগ উঠেছে।
কসবা উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ ড্রেজার ও পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষও দ্রুত এসব অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন