মধ্যরাতেও পাড়া জেগে উঠেছে, মহল্লার গণ্যমান্য থেকে নগণ্য সবাই মিলে হুলুস্থুল যাকে বলে আর কি! তো সাব্যস্ত হলো- বেটা যেহেতু হাতেনাতে ধরা পড়েছে তাই তার কোনো রক্ষা নাই, এক সপ্তাহ তাকে ম্যানহোলেই চুবিয়ে রাখা হোক।
এটা শুনে চোর তো কেঁদেকেটে একাকার, এলাকার কমিশনারের হাত-পা চেপে ধরে আর্জি জানালো, “আলমপনা, গান্দায় চুবান আপত্তি নাই; কিন্তু একটা দিন সময় দেন”।
কমিশনার তো শুনে টং! মানুষের ফাঁসির আগে শেষ ইচ্ছা পূরণ করা হয় না, আর বেটা কি না ম্যানহোলে যাওয়া নিয়ে নাটক করে!!
“বল, তোর কি ইচ্ছা…।”
আজ্ঞে ভেবেছি ম্যানহোল বাসশেষে ভালো মানুষ হয়ে যাবো, তার আগে আমার কাছে আজিব দেশের এক আজিব গাছের বীজ আছে; যা লাগালে চারা হবে আর তা থেকে যে গাছ হবে সেই গাছে নাকি টাকা ধরবে, তো ইচ্ছে হচ্ছে সেই বীজটা লাগিয়েই ম্যানহোলেই নামি!
এই কথা শুনে তো সবাই হেসে খুন, তো কই লাগাবি – লাগা! বীজ লাগাতে আর কতক্ষণই বা লাগে?
না, বস; এই বীজ যে কেউ লাগালে তো চারা হবে না! এটা লাগাতে হবে এমন কাউকে যে জীবনে কখনো চুরি করে নাই। আর, যদি মিথ্যা বলে তবে সাতদিনের মাঝে নির্বংশ হবে!!
বেশ, তবে তাই হোক… বলে কমিশনার হাঁক ছাড়েন, “রঘু, লাগা তো বিচিটা।”
স্যার, আমি তো খালি পাড়া পাহারাই দেই না, লোকে ভুল করে এটা সেটা বাড়ির বাইরে রেখে দিলে পাছে আবার চুরি হয় ভেবে মাঝে মাঝে নিজেই নিয়ে যাই! আমি লাগানোটা কি ঠিক হবে!!
কমিশনার ঘাড় বাঁকা করে তাকালেন যার বাসার সামনের ম্যানহোলের ঢাকনা চুরি হচ্ছিল তাঁর দিকে, মধ্যবয়সী আংকেল স্মিতহাস্যে বললেন, “আসলে আমি বাড়িওয়ালা মানুষ, গ্যাস-পানি-বিদ্যুত কত কিছু নিয়ে কারবার আমার! আমার এই বীজ হাতে নেয়াটাই ঠিক হবে না।”
কমিশনার ‘সব বুঝছি’ ভঙ্গিতে তাকালেন এলাকার মুদি দোকানদার কাশেমের দিকে। বাড়িওয়ালা তো বিদ্যুৎ নিয়ে নয়-ছয়ের কথা ইশারায়-ইঙ্গিতে বোঝালো, কিন্তু কমিশনার তাকানোয় মুদি দোকানদার নিজেই যেন কারেন্টের শক খেলো!
“কাকা, আফনে তো জানেন- আমার দাঁড়িপাল্লায় ডিস্টাব! মাপে মাঝেমইধ্যে কমবেশি হয়!!”
ভিড়ের মাঝে কে যেন বলে উঠলো, “গল্প আর না লম্বা করে কমিশনার সাহেব নিজে লাগালেই তো ঝামেলা মিটে যায়। পাঁচবারের কমিশনার, তার উপর গত বছর ‘সাদা মনের মানুষ’ অ্যাওয়ার্ড পাইছেন; আপনিই লাগান আর চোররে ম্যানহোলে নামাইয়া দেন, ও বুঝুক এবার চুরির মজা!”
কমিশনার সাহেব মিনমিন করে কী যেন বলে কাঁপা হাতে গিয়ে চোরের হাতের বাঁধন খুলে দিয়ে বললেন, “সামান্য একটা ম্যানহোলের ঢাকনাই তো!”।
সর্ষের মধ্যে ভূত – বহু পুরানো প্রবাদ। ‘ভূতে ধরা’ বা অস্বাভাবিক আচরণের চিকিৎসায় কবিরাজ বা ওঝাঁগণ সরিষা ব্যবহার করতেন গ্রামে গ্রামে। এক্ষেত্রে সরিষাকে ভূত তাড়ানোর উপযোগী করে তুলতে কোনো ত্রুটি থাকলে সেই সরিষা দিয়ে আর ভূত তাড়ানো যেত না বলেও প্রচলিত। আর, এই ত্রুটিকেই সর্ষের মধ্যে ভূত বলা হতো।
থাক সে কথা, উপমার পেছনের কারণে চলে আসি…।সম্প্রতি ‘ট্রিজন’ তথা রাষ্ট্রের সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র অভিযোগ এসেছে
এছাড়া তাতে আরও ওঠে আসে, এইসব অপকর্মের পেছনে মদদদাতা হিসেবে খোদ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ;
ওডিআই জিকে অভিযুক্ত করার কারণ একাধিকবার অভিযোগ করার পরও তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেননি ও আমাদেরকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা পুলিশ সদস্য ওএসআই তাহার উপরে ও দয়া করে কোন অন্যায় বা ক্ষমতার প্রয়োগ করবেন না
ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা থেকে বিদায় হয়ে মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেয়া বিতর্কিত ভন্ড এসপি এহতেশামুল
আমাদের কাছে ও তথ্য আসে আমাদেরকে তথ্য দেওয়া পুলিশ সদস্যকে যেকোনো সময় বিপদে ফালাতে পারেন ও গুম করতেও দ্বিধা করবেন না এই তথ্য ও প্রকাশিত করাই সদস্য নিজেই জবানবন্দী সংরক্ষিত
বিজয়নগর থানাকে বানিয়েছেন সন্ত্রাসীদের আখড়া। কসবা থানাকে বানিয়েছেন মাদক মাফ ইয়াদের ও আদালত।
প্রতিদ্বন্দ্বীকে অপহরণ এবং মিথ্যা মামলা
অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এছাড়া তাতে আরও ওঠে আসে, এইসব অপকর্মের পেছনে মদদদাতা হিসেবে খোদ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ;
সাধারণ জনগণ দূরের কথা,পুলিশও নিরাপদ নয় এই ২ ঘুষখোরের কাছে।
ঘুষের বিনিময়ে পুলিশের ওপর হামলাকে দিয়েছেন বৈধতা, সন্ত্রাসীদের সাহস এখন তুঙ্গে।
মন্তব্য করুন