ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গঙ্গানগর এলাকায় এক ব্যক্তির আর্থিক উত্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর আগেও তিনি দিনমজুর ও শ্রমিক ফোরম্যান হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু বর্তমানে তার জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
পূর্বে গ্রেপ্তারের অভিযোগ এলাকার একাধিক সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে তিনি মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিলেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে এ বিষয়ে থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পারিবারিক সম্পর্ক ও আর্থিক সহায়তার প্রশ্ন
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে তিনি অন্য একটি জেলার এক পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন। ওই পরিবারের বিরুদ্ধেও মাদক বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
বিয়ের পর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ, মোটরসাইকেল ও দামী মোবাইল উপহার দেওয়ার কথাও এলাকাবাসীর মুখে শোনা যাচ্ছে। এছাড়া জমি ক্রয়ের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি উঠেছে।
তবে এসব তথ্যের স্বপক্ষে কোনো সরকারি নথি বা আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ কোথায়? স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে তিনি শ্বশুরবাড়ি এলাকায় অবস্থান করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং সেখান থেকেই বিভিন্ন অবৈধ পণ্যের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ মাদক লেনদেনের কথাও শোনা যাচ্ছে।
যদিও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার বা ব্যাখ্যার কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
প্রয়োজন স্বচ্ছ তদন্ত সচেতন মহল মনে করছেন, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যেসব ব্যক্তির সম্পদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দেখা যায়, তাদের আয়-ব্যয়ের উৎস খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এতে গুজব ও অভিযোগের অবসান হবে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।
মন্তব্য করুন