প্রভাব খাটিয়ে ও মাদক বাণিজ্য করছেন ও থানার ও পুলিশ কাজ করছেন যা একদম স্পষ্ট সন্ত্রাসীদের টাকার কাছে বিক্রি থানা পুলিশ শীর্ষ মাদক সম্রাট অস্র কারবারি লোকমানের সংবাদ প্রকাশ করায় এখন জীবন সংশয়ে সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম
মাদক, অস্ত্র এবং অবৈধ পণ্যের চোরাচালান কীভাবে প্রশাসনিক একাংশ ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ছত্রছায়ায় চলে, তা আমরা জাতির সামনে তুলে ধরেছি। মাদক সিন্ডিকেটের বিষনজরে তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি টিম:
জীবনঝুঁকি উপেক্ষা করে সীমান্ত জয়ের গল্প শুনবে একদম
বাংলাদেশের মানচিত্রের যেসব রেখা ভারতকে স্পর্শ করে আছে, সেখানে অন্ধকার নেমেছে অনেক আগেই। সেই অন্ধকার কেবল সূর্যের অনুপস্থিতি নয়; বরং তা মাদকের নীল দংশন আর শক্তিশালী চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের কালো ছায়া। কসবা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি সীমান্তবর্তী জনপদ আজ এক অঘোষিত যুদ্ধের ময়দান। আর এই ময়দানে কোনো অস্ত্র ছাড়াই কেবল ক্যামেরা আর কলম সম্বল করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’।
সীমান্তের অঘোষিত যুদ্ধ ও আমাদের অবস্থান দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আমাদের টিম সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকাগুলোতে অনুসন্ধানী কাজ চালিয়ে আসছে।
মাদক, অস্ত্র এবং অবৈধ পণ্যের চোরাচালান কীভাবে প্রশাসনিক একাংশ ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ছত্রছায়ায় চলে, তা আমরা জাতির সামনে তুলে ধরেছি। এই ‘ওপেন সিক্রেট’ গুলো ক্যামেরাবন্দি করা ছিল মৃত্যুকূপের ভেতরে হাত বাড়ানোর মতো দুঃসাহসিক কাজ। যখনই আমাদের প্রতিবেদনগুলো প্রচার হয়েছে, তখনই শুরু হয়েছে আমাদের ওপর আসল আক্রমণ।
যখন কলমই হয়ে ওঠে অপরাধীদের প্রধান টার্গেট অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কোনো নিরাপদ পেশা নয়, এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ ব্রত। আমাদের টিমের ওপর নেমে এসেছে নানামুখী আঘাত: প্রাণনাশের হুমকি: বেনামী কল থেকে শুরু করে প্রকাশ্য রাজপথে আমাদের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
শারীরিক ও মানসিক হেনস্তা: সত্য প্রকাশে বাধা দিতে আমাদের ওপর শারীরিক আক্রমণ চালানো হয়েছে এবং মানসিকভাবে ভেঙে ফেলার অপচেষ্টা করা হয়েছে।
সামাজিক মর্যাদাহানি: অপরাধী চক্র পরাজয় নিশ্চিত জেনে আমাদের ব্যক্তিগত চরিত্র হনন এবং মিথ্যা অপবাদ রটিয়ে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেয় করার নোংরা খেলায় মেতেছে। আমরা জানি, অপরাধীরা ওত পেতে আছে-কখন আমাদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়া যায়। কিন্তু আমাদের পরিষ্কার বার্তা: ‘মৃত্যু আমাদের দেহকে থামিয়ে দিতে পারে, আমাদের আদর্শকে নয়।”
‘তালাশ আর্কাইভ’: সত্যের এক অবিনশ্বর দলিল।
আমরা একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। খুব শীঘ্রই আমরা ‘তালাশ আর্কাইভ’ নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উন্মুক্ত করতে যাচ্ছি। যেখানে সংরক্ষিত থাকবে:
১. অনুসন্ধানী কাজ করতে গিয়ে ঘটে যাওয়া প্রতিটি লোমহর্ষক ও অপ্রকাশিত ঘটনা।
২. বর্তমান ও ভবিষ্যতে আমাদের দেওয়া প্রতিটি হুমকির প্রমাণ।
৩. দেশের আসল শত্রুদের মুখোশ উন্মোচনের গোপন নথিপত্র।
এই আর্কাইভ তৈরির উদ্দেশ্য স্পষ্ট-যদি কোনোদিন আমাদের থামিয়ে দেওয়া হয়, তবে এই দেশের সাধারণ মানুষ যেন জানতে পারে কারা ছিল এই মাটির আসল শত্রু এবং কাদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে আমাদের জীবন উৎসর্গ করতে হয়েছে।
পাঠকদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার
তালাশ টিমের নির্বাহী সদস্য এবং সম্পাদক মোহাম্মদ দ্বীন ইসলামসহ আমরা সবাই একমত-আমরা হার মানার জন্য এই পথে আসিনি। যদি কোনোভাবে আমাদের কণ্ঠরোধ করা হয়, তবে আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের অগণিত পাঠকদের মাঝ থেকেই কেউ না কেউ এই কলম তুলে নেবেন। উপসংহার:
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আমাদের কাছে কোনো শৌখিনতা নয়, এটি দেশের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা। সীমান্তবর্তী মাদকের জাল ছিঁড়ে ফেলতে এবং চোরাকারবারিদের সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দিতে ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’র এই লড়াই আমৃত্যু চলবে। আমরা থামবো না, কারণ আমাদের পেছনে আছে সত্য এবং সাধারণ মানুষের ভালোবাসা
মন্তব্য করুন