বিশেষ অনুসন্ধান
সরষের ভেতরই যখন ভূত; ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক নির্মূলের আড়ালে মাদকের রাজত্ব সেখানে খোদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যের বিরুদ্ধে উঠেছে মাদক সেবন এবং কারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত ‘মাসোহারা’ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ।
সরষের ভেতরই যখন ভূত; বিশেষ অনুসন্ধান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নির্দেশে মাসোয়ারা টাকা নেন কনস্টেবল সাখাওয়াত
নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল সাখাওয়াত। গত চার বছর ধরে একই কর্মস্থলে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) খুঁটি গেড়ে বসে আছেন এই প্রভাবশালী সদস্য। দীর্ঘ সময় এক এলাকায় থাকার সুবাদে তারা গড়ে তুলেছেন নিজস্ব এক অপরাধ সাম্রাজ্য।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশজুড়ে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঠেকাতে কাজ করছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি মাদকের সরবরাহ হ্রাস, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতি হ্রাস–এই তিনটি কৌশলগত স্তরে অভিযান চালায়। দেশে অবৈধ মাদকের প্রবাহ রোধ, ওষুধ ও অন্যান্য শিল্পে ব্যবহার্য বৈধ মাদকের শুল্ক আদায়সাপেক্ষে আমদানি, পরিবহন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্যের সঠিক পরীক্ষণ, মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিতকরণ, মাদকদ্রব্যের কুফল সম্পর্কে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিরোধ কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন এবং জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে নিবিড় কর্ম-সম্পর্ক তৈরির মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা সংস্থাটির অন্যতম প্রধান কাজ। এ ছাড়াও নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান, গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে সংস্থাটি। পাশাপাশি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে তরুণদের সচেতন করে। সরকারের এই কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সহায়তা করছে।
জানা গেছে, দেশে মাদকের প্রবাহ রোধে কাজ করা সংস্থাটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রায় সময়েই বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে এর আগে বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হলেও বেশিরভাগ সময়েই সেই কমিটির প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখত না।
মন্তব্য করুন